ধর্মীয় সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্মীয় সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১২

সুলতানা রাজিয়া বেগম এখন পূর্ণাঙ্গ পুরুষ আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী

সেলিম ভান্ডারী :: মহান স্রষ্টার অশেষ কুদরতি ইশারায় সুলতানা রাজিয়া বেগম ৩ সন্তানের জননী হওয়ার পর ফের আবার পূর্ণাঙ্গ পুরুষে পরিণত হয়েছে। কথাটি শুনে গত বুধবার হাজার হাজার মানুষ তাকে দেখতে আসেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার জোত-সায়েস্তা গ্রামে এক ইসলাম ধর্মীয় সভায়। আশ্চার্য্য বিষয় বলে মন্তব্য করেন বাঘা উপজেলার জনসাধারণ। তবে অবিশ্বাস্য হলেও চরম সত্য বলে দাবি করেন সুলতানা রাজিয়া ওরফে আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী । তিনি উপস্থিত হাজারও দর্শক শ্রোতাদের মাঝে বলেন, ১৯৭৯ ইং সালের ৭ অক্টোবর এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন মহিলা থেকে পুরুষ হওয়ার খবর শুনে ঢাকা পিজি হাসপাতালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সুলতানা রাজিয়ার নাম পরিবর্তন করে আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী রাখেন।  এর পূর্বে তিনি গৃহবধু হিসেবে তিন সন্তানের জননী হয়েছেন বলে জনান। মুসলিম ধর্মীয় সভা সমাবেশে লিপ্ত থাকায় ধর্মপ্রান এই ব্যাতিক্রমধর্মী লোকটির ডাক নাম দেওয়া হয় আম্মা হুজুর মৌলভী আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী। তিনার বর্তমান বয়স ৬৫ বছর তার ঔরশে বর্তমানে এক মেয়ে দুই ছেলে জন্ম নেয়। পূর্বেও আব্দুর রাজ্জাকের গর্ভে অর্থাৎ সুলতানা রজিয়া খাতুন থাকা কালীন দুই ছেলে এক কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানান। আম্মা হুজুর আব্দুর রাজ্জাকের বর্তমান ঠিকানা ১০ নং মিরপুর, কাজিপাড়া, ঢাকা। তিনি গত ১২ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার ফুলবাড়ি উপজেলার দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ এর উদ্দোগে সন্ধা থেকে গভির রাতভর ধর্মীয় মাহফিলে হাজারও মুসলমানদের উপস্থিতিতে উল্লেখ্য একই বর্ননা দেন বলে জানা যায়। বাঘায় ভাষন কালে  শ্রোতা ও দর্শক বিস্মিত হয় এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অলৌকিক ইঙ্গিতের শুকরিয়া আদায় করেন। তিনার সঙ্গে কথা বলতে (০১৭১৯-৯২২৩১৯) নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুমতি দিয়েছেন। সর্বশেষে আম্মা হুজুর বিশ্ব মুসলিম উল্লামার জন্য দোয়া কামনা করেন।

Read more »

রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১২

আজ সিন্দুরমতি দিঘীতে পূর্ণস্নান ॥ লাখ মানুষের ঢল

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, কুড়িগ্রাম থেকে :: আজ রোববার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থক্ষেত্র সিন্দুরমতী মেলা। প্রতিবছর চৈত্র মাসের রাম নবমী তিথিতে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। দেশ বিদেশ থেকে আগত লাখ লাখ পূর্ণার্থীরা সিন্দুরমতী দিঘীতে পূণ্যসলিলে  øান করে দেবী সিন্দুরমতী মন্দিরে ফুল, ফল-মূল, বাতাসা নিবেদন করে মানত করেন। নব দম্পতিরা তাদের জিবনে সুখ-শান্তি কামনার্থে উভয় বস্ত্রে গাট দিয়ে যুগল øান সম্পন্ন করেন। লাখ লাখ পূনার্থীর আগমনে এলাকার ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত সরগম হয়ে উঠবে। আজ রোববার ভোর থেকে ওই দিঘীতে স্নান শুরু হবে। কথিতে আছে, বাসন্তী পূজার অষ্টমী তিথিতে চিলমারী ব্রক্ষপুত্র নদে স্নান শেষে পূনার্থীরা সিন্দুমতী দিঘীতে স্নান সম্পন্ন করলে তবেই হিন্দুধর্মাবলম্বী ভক্তদের পাপমোচন হয়। একারনে যুগ যুগ ধরে চিলমারী ব্রক্ষপুত্র নদে অষ্টমীর স্নানের পরদিন সিন্দুরমতী দিঘীতে দেশ-বিদেশী থেকে আসা প্রায় লক্ষাধিক পূনার্থীভক্ত স্নান সম্পন্ন করে থাকেন। এই দিনটি উপলক্ষ্যে দিঘীর চারদিকে প্রায় ১ কিলোমিটার জুড়ে বিরাট মেলা বসেছে। মেলায় হাড়ি-পাতিল, খেলনা, দই-দুধ, মিষ্টি, হোটেল, ১০টি ছোট-বড় সাকার্স, পুতুল নাচ সহ হরেক রকমের জিনিসপত্র উঠে। এখানে লক্ষাধিক পুরুষ ও মহিলা দর্শনার্থী মিলন ঘটে। শ্রী শ্রী সিন্দুরমতী পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ ইন্দ্র কমল রায় জানান, কথিতে আছে- প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে শ্রী রাজ নারায়ন নামে এক জমিদার ছিল। সে সময় পানীয় জলের ভিষন অভাব দেখা যায়। প্রজা হিতৈষী রাজার পানীয় জলের অভাব মোচনে প্রায় ১৫ একর জমির উপর একটি পুকুর খনন করেন। কিন্তু বড়ই আচার্য্যর ব্যাপার এত বড় পুকুর খনন করে এক ফোটা জল পাওয়া যায়নি। অবশেষে এক রাতে রাজার উপর স্বপ্নাদেশ হলো যে, তোর দুই কন্যা সিন্দুর ও মতী কে দিয়ে পুকুরের মধ্যস্থলে পূজা দিলে তবেই জলে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে পুকুরটি। স্বপ্নাদেশ মতে রাজা পর দিন ঢাক-ঢোল পিটিয়ে পূজার আয়োজন করেন। কিশোরী সিন্দুর ও মতীকে অপূর্বরুপে সাজিয়ে পুকুরের মধ্যস্থলে আনয়ন করা হয়। পুজার সময় মনে হলো তুলসী আনা হয়নি। রাজা তুলসী নিয়ে আসতে গেলে আকস্মিকভাবে পুকুরের তলদেশে হতে শতসহস্র জল রাশিতে পুকুরটি ভরে যায়। এসময় পুরোহিত, পূজারী, বাদ্যকারগণ সাঁতারদিয়ে তীরে উঠলেও সিন্দুর আর মতী  উঠতে পারেনি। পুকুরের জলে তাদের দু বোনের সলিল সমাধি হয়। চারদিকে হাহাকার পড়ে গেল। রাজা-রানী শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ল। সাতদিন অতিবাহিত হওয়ার পর সিন্দুর ও মতী রাজাকে দেখা দেন এবং তারা মারা যাননি, মানবী থেকে দেবত্ব প্রাপ্ত হয়েছে। রাজারকে আরো জানানো হয় যে, প্রতিবছর চৈত্রমাসের রাম নবমী তিথিতে সিন্দুরমতী পুকুরে  øান করলে সকল মনের আশা পূণ্য হবে। সে থেকে এই  øান মেলার প্রচলন হয়ে আসছে।#

Read more »

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

মুসলমানদের বোকা বানানোর এক হৃদয়বিদারক জঘন্য ইতিহাসের দিন ‘এপ্রিলফুল’

undefinedলেখক-মুহাম্মদ রুহুল আমিন সৌরভ :: নিজের ইতিহাস ভোলা মুসলমান জানে না এপ্রিল ফুল মুলতঃ কি ? মুসলমানদের সজাগ করতে কলম ধরেই পরিস্কার ভাষায় বলা যায় ইতিহাসের ঘুর্নাবর্তে এপ্রিল ফুল। এপ্রিল ইংরেজী বর্ষের চতুর্থ মাস। ফুল (Fool) অর্থ বোকা। শাব্দিক অর্থে এপ্রিল ফুলের অর্থ এসে দাড়ায়- এপ্রিলের বোকা। প্রতি বছর এপ্রিল মাস এলে পহেলা তারিখে সাত সকালে মানুষ একে অপরকে ধোকা দেয়। ধোকা প্রবনতা আর মানুষ ঠকানোর এই সংস্কৃতি দেখা যায় কিশোর-তরুন,যুবক,বয়োজেষ্ঠ সকলের মধ্যে। যেমন বাঙালী সংস্কৃতিতে আর ঠকামি হলো চৈতে চালাকী। চৈত্র মাস এলে তার প্রথম তারিখে এবং মাসের শেষ তারিখে একই ভাবে মানুষ একে অপরকে ধোকা দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অথচ ইসলামে কাউকে ধোকা দেয়া হারাম করা হয়েছে। আল­vহ রববুল আলামিন বলেছেন, যারা ধোক দেয় তারা নিজেরা নিজেদের কে ধোকা দেয় কিন্তু তারা বোঝেনা- (বাকারা)বিশ্বনবী সঃ বলেছেন,‘‘যে ব্যক্তি ধোকা দেয়, সে আমার উম্মাত নয়।
বিজাতীয় সংস্কৃতিতে মত্ত হয়ে মুসলমানেরা বিধর্মীদের সাথে তালমিলিয়ে এপ্রিল ফুল সংস্কৃতি পালন করে;কিন্তু তারা জানেনা যে এদিনে মুসলমানদের জন্য হৃদয় বিদারক ঘটনার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এদিন মুসলমানদের করুন ইতিহাস যা সামনে এলে প্রকৃত মুমিনের গা শিউরে উঠবে। আল­vহ বলেছেন, নিশ্চয় মুমিন সে ব্যক্তি যার সামনে আল­vহর স্মরন হলে অন্তুর উদ্ধেলিত হবে (আনফাল-২)। আমাদের আজ জানতে হবে বুঝতে হবে। পহেলা এপ্রিল কি?
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ৯৮ হিজরী মোতাবেক ৭২২ খৃষ্টাব্দে মুসলিম সেনাপতি তারিক বিন জিয়াদ (রাঃ) সাত হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনের রাজা বড়াকির লক্ষাধিক সৈন্যকে শোচনীয় ভাবে পরাজিত করে স্পেন জয় করে তৎকালীন বিশ্বে মুসলিম সভ্যতার গোড়া পত্তন করেছিলেন। দীর্ঘ প্রায় আট’শ বছর মুসলমানদের এ গৌরবময় শাসন চলতে থাকে। বিজাতীর ভোগ-বিলাস ও নৈতিকতার অধঃপতনের ফলে ১৪৯২ খৃষ্টাব্দে ঐতিহাসিক এ মুসলিম শাসনে নেমে আসে কালো ছায়া। মুসলিম শাসনের গোড়ায় ধ্বস দেখা দেয়।
এ সুযোগ লুফে নিতে ভুল করেনি খৃষ্টান নেতা ফার্ডিনান্ড। তার চিন্তায় ধরা পড়ে এ সুবর্ণ সুযোগে যদি পরিনীজ পর্বতমালা অতিক্রমকারী দুধুর্ষ বিশ্ব শাসক মুসলিম বাহিনীকে হঠানো না যায় তবে ভবিষ্যতে ইউরোপীয় খৃষ্টানদের গীর্জার প্রতি অনিহা এসে যাবে। তারাও ক্রমান্বয়ে ঝুকে পড়বে মুসলিম ধর্মের দিকে। খৃষ্টান নেতা তার উদ্দেশ্য পুরনের নিমিত্তে পর্তুগীজ রানী ইসাবেলাকে বিয়ে করলো। বিয়ের পর থেকে সকল শক্তি একত্র করে মুসলিম বিরোধী যৌথ বাহিনী  নিয়ে স্পেন দখলের চেষ্টা করতে থাকে।
অবশেষে মুসলমানদের অবহেলা আর অসর্তকতার সুযোগে খৃষ্টান বাহিনী ঘিরে ফেললো স্পেনের তিন দিক। একদিকে ছিল শুধু মহা সুমুদ্র। এমনই নির্মম পরিস্থিতিতে সুযোগ নিলো খৃষ্টানদের সাথী হয়ে শত ঘষেটি বেগম আর মীর জাফরারা- যারা স্বজাতির গলায় ছুরি মেরে নির্মান করতে চেয়েছে শান্তির নীড়। নামধারী মুসলামানদের সীমাহীন গাদ্দারীকে পুজি করে খৃষ্টানরা অবতীর্ণ যমদুতের ভুমিকায়। যার ফলে মরণপন চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়ে চিরতরে পরাজিত হলো বিশ্ব বিজয়ী সিংহ সাবক মুসলিম জাতি। বিপর্যস্ত মুসলমানদের এহেন অবস্থায় প্রতারক কাপুরুষ ফার্ডিনান্ড তার প্রতারণার ফাদে ফেলে মুসলমানদের সমুলে নিঃশেষ করে দেয়। মুসলমানদের অভয় দিয়ে অস্ত্র পরিত্যাগ করে মসজিদে আশ্রয়ের আহবান জানায়। এবং ঘোষনা করে যে, যারা মসজিদে আশ্রয় নিবে তাদের জীবনে বেচে থাকার নিরাপত্তা দেয় হবে। মুসলমান আবারো বোকার পরিচয় দিয়ে প্রতারকের কথা অনুযায়ী  আশ্রয় নিলো মসজিদে। যেমনটি আজকের একশ্রেনীর মুসলমান ইয়াহুদি আর খৃষ্টানদের দালালী করতে মসজিদে আশ্রয় নিতে মুসলমানদের কে উদ্বুদ্ধ করছে। যাহোক নৈরাজ্যের অমানিশায় সরলপ্রান মুসলমানরা যেই আশ্রয় নিলো স্পেনের রাজধানী কর্ডোভার মসজিদ সহ বিভিন্ন মসজিদে মুহুর্তের মধ্যে লাখ লাখ মুসলমান আবাল-বৃদ্ধ আর নিষ্পাপ শিশুদের কে নরপিশাচ প্রতারক রাজা ফার্ডিনান্ড তালা লাগিয়ে দিলো মসজিদ গুলোতে। এর পর বিশ্বমানবতা কে পদদলিত করে হায়েনার চেয়ে হিংস্র শিয়াল অপেক্ষা ধুর্ত মানুষ নামের রক্তপিপাসু পশুগুলো আগুন লাগিয়ে মসজিদে আশ্রয় নেয়া মুসলমানদেরকে হত্যা করলো।  নারী পুরুষ আর শিষ্পাপ শিশুদের আর্তচিৎকার আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠলো স্পেনের আকাশ-বাতাস। দেখতে দেখতে ভষ্ম হয়ে গেল অসংখ্য তাজা প্রাণ। আর সাথে সাথে সমাপ্তি ঘটলো আট’ শ বছরের মুসলিম শাসনের ইতিহাস। আর সাথে সাথে নিষ্টুর ঠক রাজা ফার্ডিন্যান্ড খুশিতে আত্মহারা হয়ে পার্টি দিলো এবং রং তামাশার মধ্যে স্ত্রী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে ড্যান্স করেছিল আর চিৎকার করে বলেছিল হায় মুসলিম! তোর এত বোকা! তোদের বোকামীর সাজা দিলাম তোর স্বজাতি আর তোদের অস্তিত্ব ভুলে যাওয়ার সুযোগে। খতম করলাম মুসলিম শাসনের অধ্যায় কে। জয় হোক খৃষ্টান মিশনারিজ।
হৃদয় বিদারক এ ঘটনার দিন ছিল পহেলা এপ্রিল ১৪৯২সাল। সেদিন থেকে মুসলমানদের ধোকা দেয়ার সেই ইতিহাস স্মরনার্থে খৃষ্টানরা  প্রতিবছর ১লা এপ্রিল পালন করে ‘‘এপ্রিল ফুল’’।
কপালপোড়া মুসলমান নিজেদের বিরুদ্ধে এমন লোমহর্ষক মর্মান্তিক ঘটনা সম্পর্কে অবহিত না হয়ে নিজের ইতিহাস ভুলে যাওয়ার কারণে ভ্রান্তির বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পাগলের মত ঘুরছে। দুর্ভাগ্যকে আজ আনন্দের খোরাক বানিয়ে খৃষ্টানদের ভালবাসার ফাঁদে পড়ে এপ্রিল ফুল পালন করছি। তাও আবার দেশব্যাপি পালনের জন্য দেশবাসীকে বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্বুদ্ধ করছি। এখনো সময় থাকতে সাবধান হই,ইতিহাস জানতে চেষ্টা করি মুসলমান সিংহের জাতি,মুসলমান বিজয়ী জাতি বুঝার চেষ্টা করি। ইসলাম বিরোধী সকল অপকর্ম ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতি পরিহার করি। মুসলিম সংস্কৃতি তুলে ধরি আবারো মাথা উচু করে দাঁড়ায়। কোরানের কাছে ফিরে আসি নতুবা পরিণতি হবে ভয়াবহ। আল­vহ আমাদের মাফ করুন, ইসলাম বুঝার আমাদের কে তৌফিক দিন আমীন।
উপস্থাপকঃ
সাংবাদিক, গবেষক, লেখক, ইসলামী চিন্তবিদ
কালীগঞ্জ,ঝিনাইদহ
০১৭১২-৬১২৮৭৬,০১৯১৯-৬১২৮৭৬

Read more »

শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১২

সোনাতলায় মহিলা মসজিদের উদ্বোধন

জ্যোতি, গাবতলী ও সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি :: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পল্লীতে একটি মহিলা মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের হাঁসরাজ দক্ষিণ পাড়া গ্রামে মহিলা মসজিদটির উদ্বোধন করেন বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের সহধর্মীনি বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা সাহাদারা মান্নান শিল্পী। উদ্বোধনের পরে এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাহাদারা মান্নান বলেন, সমাজের উন্নতিকল্পে সবাইকে একযোগ কাজ করে যেতে হবে তবেই সম্ভব সমাজ উন্নয়ন। মধুপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি দবির হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসুল হক, দপ্তর সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান আলী বাদশা, আতিকুল ইসলাম শিপলু, আনিছুর রহমান মাষ্টার প্রমুখ।

Read more »

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১২

বাঘায় পবিত্র ওরশ মাহ্ফিলের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হলো জমকালো সঙ্গীত অনুষ্ঠান


রাজশাহীর বাঘায় সঙ্গীতের প্রচার-প্রসার ও মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে “সূর তরঙ্গ বিদ্যা নিকেতন” তার প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই অনন্য সাধারন ভূমিকা রেখে যাচ্ছে । প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পী সমন্বয়ে জাতীয় সঙ্গীত সম্মেলনের আয়োজন ছাড়াও নিয়োমিত ভাবে আয়োজন করে যাচ্ছে শাস্ত্রীয় সংগীত অনুষ্ঠান।
 গত ১১ মার্চ, রোববার বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ভান্ডারী পাড়ায় প্রতি বছরের ন্যায় পীরে কেবলা মুর্শিদে কামেল হযরত গাউছুল আজম বাবাজান কালাম-ডাঃ নূরুজ্জামান মাইজ ভান্ডরী (কেঃ কাঃ)’র ১৪ তম পবিত্র ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রথম পর্বের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল শেষে, বাদ এশা গজল, শ্যামা কাওয়ালী, ভান্ডারী শান, লালন গীতি পরিবেশন করেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাউল কন্ঠশিল্পী শফি মন্ডল, অন্ধ শিল্পী সুজন, ডাঃ গোলাম পাঞ্জাতন, ছাড়াও সংগীত পরিবেশন করেন, মহিউদ্দীন মফিজ  ভান্ডারী, আব্দুল মালেক সরকার, ডাঃ জিয়াউর রহমান ভান্ডারী, পান্না, বিপাশা, রিয়া, লাভলু ও মুকুল। অক্টোপ্যাডে ছিলেন ময়মনসিংহ কাজী নজরুল ইসলাম সঙ্গীত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী সঙ্গীত শিক্ষক মশিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী -৬ চারঘাট-বাঘা আসনের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্জ শাহরিয়ার আলম এর পিতা জনাব আলহাজ্জ শামসুদ্দীন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- আ’লীগ নেতা মনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বজলুল করিম সরকার। বাংলাদেশ টিভি চ্যানেল দেশ টিভির রাজশাহীর প্রধান সাংবাদিক আতিক হাসান। স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুল লতিফ মিঞা, নুরুজ্জামান, গীতিকার মুহম্মদ কলিমুদ্দিন মিঞা ও কামরুল হাসান। আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শফিউর রহমান শফি। এস. এস হেলথ কেয়ারের (এম ডি) এম. এ তাহের সাহেবের  উপস্থাপনায় আগত প্রধান অতিথি ও শিল্পীদের পু®পস্তবকে অভিষিক্ত করেন ডাঃ নুরুজ্জামান মাইজ ভান্ডারী ও তাঁর ভক্তবৃন্দ।
ওস্তাদ শফি মন্ডল লালন গীতি, শ্যামা কাওয়ালী গান গেয়ে উপস্থিত হাজারো শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। মুহর্মহু করতালীতে মুগ্ধ শ্রোতারা শিল্পীদের অভিনন্দিত করেন। ওস্তাদ শফি মন্ডল দেশের বিভিন্ন রেডিও ও টেলিভিসন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। সরকারী বেসরকারী উদ্দ্যেগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে গান পরিবেশন করে কুড়িয়েছেন প্রচুর খ্যাতি বয়ে এনেছেন অসামান্য সম্মান। ওরশ অনুষ্ঠানে সুর তরঙ্গ বিদ্যা নিকেতন কীর্তি মান শিল্পীকে বাঘার সঙ্গীত প্রিয় শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করে কৃতজ্ঞ ভাজন হয়েছেন। বাঘা বাসি প্রত্যাশা করেন, সুর তরঙ্গ আগামীতে নবীন-প্রবিন শিল্পিদের তাদের নিয়মিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপস্থাপন করে দায় বদ্দতার পরিচয় দিবেন। সঙ্গীতের উত্তরনে এসব আয়োজন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে।
                                        

Read more »

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বাঘায় হযরত শাহ সূফী উরমী (রহঃ)’র স্বরনে ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাঘা নিউজ ডটকম, ডেস্ক :: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কিশোরপুর গ্রামে গতকাল বৃহঃপতিবার হযরত শাহ সূফী উরমী শাহ বাগদাদী (রহঃ)-এর স্বরন উপলক্ষে ২য় তম  ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত এলাকার স্থানীয় ইমান আলী ভান্ডারীর আয়োজনে ও সার্বিক সহযোগীতায় এই পবিত্র মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টোগ্রাম থেকে আগত পীরে কেবলা মুর্শিদে কামেল হযরত শাহ সূফী গাউছুল আজম আলহাজ্ব মাওলানা ডাঃ সৈয়দ মোহাম্মদ খাইরুল বশর শাহ আমেরী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খোরশেদ আলম দয়াল চাঁন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এস. এম. আলমগীর আমেরী-চট্টোগ্রাম, পীরে কেবলা ডাঃ নূরুজ্জামান মাইজ ভান্ডারী ছাড়াও অনেক ভক্তবৃন্দ।

Read more »

Ruby