অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, তানোর পৌরসভার হাট-বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম কালীগঞ্জহাট। কালীগঞ্জহাটে কাঁচা ও মাছ বাজারের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে পৃথক দুটি টিনসেড নির্মাণ করা হয়েছে। এসব টিনসেডে মাছ ও কাঁচা বাজার বসানোর জন্য কর্তৃপক্ষ নিদ্রিষ্ট করে দিয়েছে। কিন্তু তারপরও কিছু মাছ ব্যবসায়ী টিনসেড ব্যবহার না করে এলাকার হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগে ফেলে মানুষ চলাচলের রাস্তার উপর মাছ বেচাকেনা করছে। এদিকে রাস্তার উপর মাছের বাজার বন্ধের জন্য এলাকার সাধারণ মানুষ বাধা দিলেও মাছ ব্যবসায়ীরা তাদের বাধা উপেক্ষা করেই জোরপূর্বক রাস্তার উপর মাছ বেচাকেনা করছে। ফলে মাছ বাজারের পরিত্যক্ত পানিতে রাস্তায় কাঁদাপানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও মাছ বাজারের পরিত্যক্ত পানি জমে প্রচন্ড দুগর্ন্ধ সৃষ্টি হওয়ায় হাটে আগতদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সপ্তাহে দুই দিন মঙ্গল ও শুক্রবার কালীগঞ্জহাট বার, এ দুদিন রাস্তার উপর মাছ বিক্রি করায় রাস্তাটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। যে কারণে এ রাস্তায় চলাচলকারিদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। রাস্তার উপর মাছ বিক্রি বন্ধে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তানোর পৌর এলাকার মাসিন্দা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী রবি হালদার ও পরেশ হালদার বলেন, আমরা টিনসেড ব্যবহার করতে চাই। কেননা ঝড়-বৃষ্টির দিনে রাস্তার উপর মাছ বিক্রি করতে আমাদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কিমত্ত কিছু প্রভাবশালীর কারণে আমরা তা ব্যবহার করতে পারছি না। বিষয়টি আমরা পৌর মেয়রকে অবহিত করেছি তিনি যেন টিনসেড ব্যবহারে আমাদের সহযোগীতা করেন। এ ব্যাপারে তানোর পৌরসভার স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান (বাবু) বলেন, রাস্তার উপর মাছ বেচাকেনা করায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। এলাকাবাসী রাস্তার উপর মাছ কেনাবেচা বন্ধ করতে আমার কাছে অভিযোগ দিয়েছি। আমি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তানোর পৌর মেয়র এএইচএম ফিরোজ সরকার বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি তাদের টিনসেড ব্যবহার করতে বলেছি। এ ছাড়াও প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টিনসেড পরিত্যক্ত করে ফেলে রেখে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে রাস্তার উপর মাছ বেচাকেনা করা অনুউচিৎ। তিনি বলেন, তারা যদি রাস্তার উপর মাছ কেনাবেচা করে তাহলে মাছ ও কাঁচা বাজারের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে টিনসেড নির্মাণ করে নিলেন কেন।
