সংশি¬ষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮টি আবাসিক কোয়াটার রয়েছে। কোয়াটারের মধ্যে ৩টি প্রথম শ্রেনী কর্মকর্তা, ১টি দ্বিতীয় শ্রেনী ও দু’টি করে ৪টি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সেসে সূত্রে জানা যায়, ১৭ জনের নামে কাগজে কলমে কোন ভাড়া উঠানো হয়না। তারা রিতিমত ভাড়া না দিয়ে থাকছে। ওই কোয়ার্টারে বসবাসরত, নাজনীন আক্তার বলেন, তারা এখানে কোন ভাড়া দিয়ে থাকেন না। তাহলে কেন এবং কিভাবে থাকেন এমন প্রশ্নের উত্তরে কোন সদুত্তর মেলেনি। অপর এক বাসিন্দা রবিউল ইসলাম ও ফয়েজ উদ্দিন সাংবাদিক শুনে তিনি কোন কথা না বলে চলে যান। নিয়মিত ভাড়া দিয়ে থাকা চিকিৎসক ডাক্তার শুকুর মোল্লা বলেন, এখানে কে-কি ভাবে থাকে সেটা আমার জানা নেই। আমি প্রতিমাসে সাড়ে ৮ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে কোয়াটারে থাকি।
হাসপাতালের টিএইচএ নুরুল ইসলাম বলেন, এখানে যারা চাকরি করে তারা যদি সরকারি কোয়াটারে থাকেন অবশ্যই ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। এ জন্য কে কতো বেতন পেলো সেটি বড় কথা নয়, প্রত্যেকটি কোয়াটারের শ্রেণী অনুসারে ভাড়া কর্তনের তালিকা রয়েছে। ওই তালিকা অনুসারে ভাড়া পরিষধ করতে হবে। তবে আমি এখানে নতুন এসেছি। তবে ওই বিষয়ে সভা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
