হাকিকুল ইসলাম (খাকন) :: ১১ই মার্চ,২০১২ইং,রবিবার, বিকাল ৩টায় নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে নর্থ আমেরিকা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরুধী অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা এবং জামাত -বিএনপি কর্তৃক দেশে অরাজক পরিস্থিতিসৃষ্টি করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল ও দেশের গনতন্ত্র ধ্বংসের এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্টের গভীর যড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।খবর বাপসনিঊজ.জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন আনতর্জাতিক ট্রাইবুন্যাল গঠন করে স্বচ্ছতার সাথে যুদ্ধপারাধীদের বিচারের কাজ তরান্নিত করছে এবং দেশে বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত সহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন ও খাদ্যে দেশ প্রায় স্বয়ং সম্পূর্ণতা সহ বিভিন্নজনকল্যান মূলক কাজে সাফল্য অর্জন করছে। সেই সময় স্বাধীনতা বিরোধী জামাত ও বিএনপি জোট পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে টাকা খেয়ে যুদ্ধপারাধীদের বিচার বানচাল, দেশের গনতন্ত্র ধ্বংস, বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে বাধাগস্থ সহ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পাকিস্তানের কাছে বিকিয়ে দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সমাবেশে প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষনা ও প্রস্তাবাবলী উপস্থাপন করেন নর্থ আমেরিকা আওয়ামী লেিগর সভাপতি ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর। বিক্ষোভ সমাবেশটি পরিচালনা করেন নর্থ আমেরিকা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা।বিক্ষোভ সমাবেশে সর্বসম্মতিক্রমে নি¤েœাক্ত প্রস্তাব গৃহিত হয় ঃ
১. যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরুধী অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা
২. যে সকল যুদ্ধাপরাধীদের এখনো গ্রেফতার করে আইনে সোপর্দ করা হয় নাই, অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা।
৩. যুদ্ধাপরাধী বিচারে যারা সাক্ষী তাদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ বিচারের স্বার্থে অবিলম্বে সাক্ষী নিরাপত্তা আইন প্রনয়ণ করা।
৪. যুদ্ধাপরাধী বিচারে যারা বাধা বা বানচালের চেষ্টা করবে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৫. যারা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংম্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী মামলা দিয়ে বিচারের ্ওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৬. দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল ও উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী একযোগে আন্দোলন করার প্রস্তাব করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১) মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ২) মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ ৩) ইউএসএ আওয়ামী লীগ ৪) ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ৫) শেখ হাসিনা মঞ্জ ৬) মুক্তিযোদ্ধের চেতনা সংগ্রাম পরিষদ ৭) স্বাধীনতা চেতনা মঞ্চ ৮) মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদ ৯) বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ৯) বঙ্গবন্ধু প্রচার(কনদ ও সমাজকল্যাণ পরিষদ এবং ১০)জাসদ।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন আমেরিকা-বাংলাদেশ এ্যলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম.এ সালাম, মানবাধিকার নেতা রতন বড়–য়া, সাংবাদিক ও এক্টিভিষ্ট হাকিকুল ইসলাম খোকন,জাসদ সাধারন সমপাদক হাজী আ(নায়ার (হা(সন লিটন, ইঞ্জিঃ আশরাফুল হক, শরীফ সাহাব উদ্দিনম, লুৎফুর কবির, মোহাম্মদ হানিফ, আলী হাসান কিবরিয়া অনু, রমেশ নাথ,আবদুল জলিল,ফিরুজ আহমদ ক(ললাল, বদরুল হোসেন খান, তোফায়েল চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, গোলাম কুদ্দুস, আবুল হোসেন, আখতার হোসেন, চন্দুন দত্ত, রেজাউল কমির চৌধুরী, হেলাল মাহমুদ, রাজু আহমেদ মোবারক, আশরাফ মাসুক, সাহাদৎ হোসেন, আশরাফ উদ্দিন, মোঃ কায়কোবাদ খান, ইঞ্জিঃ মিজানুল হাসান, ওয়ালী হোসেইন, খলিলুর রহমান, আতাউর রহমান তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, টি মোল্লা, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, জালাল উদ্দিন জলিল, এম.এ. আলম মানিক, মোতাহার হোসেন মাসুদ, জালাল উদ্দিন জলিল, এম.এ. আলম মানিক, মোতাহার হোসেন, কোহিনুর আকতার, বিলকিস মোল্লা , ডাঃ টমাস দুলু রায়, অমিনাশ আর্চায্য, আলী আক্কাস, খুরশিদ আনোয়ার বাবুল, দেওয়ান আশরাফ, লিয়াকত মোল্লা, ফরহাদ হোসেন, গিয়াসউদ্দিন, এ.কে চৌধুরী, এরশাদ ওয়ারেজ, ভূঁঞা আহসান হাবিব, ফয়েজ আহমদ জিন্দাপীর, ছালাউদ্দিন বিপ্লব, নজরুল ইসলাম চৌধুরী বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নর্থ আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে জাতিসংঘের সাহায্য সহযোগিতা চেয়ে একটি স্মারকলিপি জাতিসংঘের মহাসচিব বরাবর হস্তন্তর করা হয়। শাহানা মোমেন, শাহাদৎ হোসেন, এম আনোয়ার, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, মাষ্টার আবু মোতাহার, আবদুর রউফ পাশা, আলহাজ আবদুর শহিদ দুধু, শওকত আকবর রীচি, মুজিবুর রহমান বিপ্লব,তসলিম ঊদিদন,সুভাস মজুমদার,শরিফ ঊদিদন,তসলিম ঊদিদন খান,সামসুদিদন আহমদ শামীম,নুরুল আফসার পমুখ।
১. যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরুধী অপরাধীদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা
২. যে সকল যুদ্ধাপরাধীদের এখনো গ্রেফতার করে আইনে সোপর্দ করা হয় নাই, অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা।
৩. যুদ্ধাপরাধী বিচারে যারা সাক্ষী তাদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ বিচারের স্বার্থে অবিলম্বে সাক্ষী নিরাপত্তা আইন প্রনয়ণ করা।
৪. যুদ্ধাপরাধী বিচারে যারা বাধা বা বানচালের চেষ্টা করবে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৫. যারা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংম্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী মামলা দিয়ে বিচারের ্ওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৬. দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল ও উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী একযোগে আন্দোলন করার প্রস্তাব করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১) মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ২) মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ ৩) ইউএসএ আওয়ামী লীগ ৪) ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ৫) শেখ হাসিনা মঞ্জ ৬) মুক্তিযোদ্ধের চেতনা সংগ্রাম পরিষদ ৭) স্বাধীনতা চেতনা মঞ্চ ৮) মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদ ৯) বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ৯) বঙ্গবন্ধু প্রচার(কনদ ও সমাজকল্যাণ পরিষদ এবং ১০)জাসদ।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন আমেরিকা-বাংলাদেশ এ্যলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম.এ সালাম, মানবাধিকার নেতা রতন বড়–য়া, সাংবাদিক ও এক্টিভিষ্ট হাকিকুল ইসলাম খোকন,জাসদ সাধারন সমপাদক হাজী আ(নায়ার (হা(সন লিটন, ইঞ্জিঃ আশরাফুল হক, শরীফ সাহাব উদ্দিনম, লুৎফুর কবির, মোহাম্মদ হানিফ, আলী হাসান কিবরিয়া অনু, রমেশ নাথ,আবদুল জলিল,ফিরুজ আহমদ ক(ললাল, বদরুল হোসেন খান, তোফায়েল চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, গোলাম কুদ্দুস, আবুল হোসেন, আখতার হোসেন, চন্দুন দত্ত, রেজাউল কমির চৌধুরী, হেলাল মাহমুদ, রাজু আহমেদ মোবারক, আশরাফ মাসুক, সাহাদৎ হোসেন, আশরাফ উদ্দিন, মোঃ কায়কোবাদ খান, ইঞ্জিঃ মিজানুল হাসান, ওয়ালী হোসেইন, খলিলুর রহমান, আতাউর রহমান তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, টি মোল্লা, মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ, জালাল উদ্দিন জলিল, এম.এ. আলম মানিক, মোতাহার হোসেন মাসুদ, জালাল উদ্দিন জলিল, এম.এ. আলম মানিক, মোতাহার হোসেন, কোহিনুর আকতার, বিলকিস মোল্লা , ডাঃ টমাস দুলু রায়, অমিনাশ আর্চায্য, আলী আক্কাস, খুরশিদ আনোয়ার বাবুল, দেওয়ান আশরাফ, লিয়াকত মোল্লা, ফরহাদ হোসেন, গিয়াসউদ্দিন, এ.কে চৌধুরী, এরশাদ ওয়ারেজ, ভূঁঞা আহসান হাবিব, ফয়েজ আহমদ জিন্দাপীর, ছালাউদ্দিন বিপ্লব, নজরুল ইসলাম চৌধুরী বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে নর্থ আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে জাতিসংঘের সাহায্য সহযোগিতা চেয়ে একটি স্মারকলিপি জাতিসংঘের মহাসচিব বরাবর হস্তন্তর করা হয়। শাহানা মোমেন, শাহাদৎ হোসেন, এম আনোয়ার, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, মাষ্টার আবু মোতাহার, আবদুর রউফ পাশা, আলহাজ আবদুর শহিদ দুধু, শওকত আকবর রীচি, মুজিবুর রহমান বিপ্লব,তসলিম ঊদিদন,সুভাস মজুমদার,শরিফ ঊদিদন,তসলিম ঊদিদন খান,সামসুদিদন আহমদ শামীম,নুরুল আফসার পমুখ।
