মাহফুজা খাতুন বলেন, ‘ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহমিনা রুশদি (লুনা) আমার মেজো মেয়ে। তাদের তিনটি নাবালক সন্তান রয়েছে। বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর তারা বাকরুদ্ধ। তাদের সান্ত্বনা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। আমরা কী করব, কোথায় যাব—বুঝে উঠতে পারছি না। এ অবস্থায় আমার আকুতির কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে আমি আপনাদের (সাংবাদিকদের) ডেকেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে মাহফুজা খাতুন প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ইলিয়াস আলীর নাবালক তিন সন্তান ও আমার মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা তাকে ফেরত দিন। আমি আপনার কাছে আমার জামাতাকে নিঃশর্ত ফেরত চাই। স্ত্রী-সন্তানের কাছে তাদের প্রিয়, ভালোবাসার ও আশ্রয়ের মানুষটিকে ফেরত দিন।’
সংবাদ সম্মেলনে এ কথাগুলো বলতে গিয়ে ইলিয়াস আলীর শাশুড়ি মাহফুজা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি কবীর মুরাদ, ইলিয়াস আলীর শ্যালক মুন্সী আঞ্জুম হাসান সুমনসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মুন্সী একরামুল হাসানের মেজো মেয়ে তাহমিনা রুশদির (লুনা) সঙ্গে ১৯৯০ সালে বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলীর বিয়ে হয়। জিটিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
