সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১২

গনমিছিলকে কেন্দ্র করে রাজশাহীতে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ ১জামায়াত কর্মী নিহত গ্রেপ্তার ৬৫


আল-ফাত্তা সামাদ, রাজশাহী থেকেঃ রাজশাহীতে বিএনপির গণমিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে জামায়াত শিবিরের সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের দুইজন ওসি ও দুই কনস্টেবল সহ আরও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। পুলিশ এসময় ৬৫জনকে আটক করে।  নিহত ওই যুবকের নাম শফিকুল ইসলাম রেন্টু। তার মাথায় গুলি লাগে। তিনি জামায়াতের একজন কর্মী এবং তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল লক্ষিপুর শাখার ওয়ার্ড বয় পদে কর্মরত ছিলেন। তার বাসা রাজপাড়াথানাধীন বহরমপুর এলাকার অচিনতলা এলাকায়। তার পিতার নাম আবদুর রহমান শেখ। জামায়াতের দাবী শফিকুল তাদের কর্মী এবং পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশের গুলিতে নিহত হবার কথা স্বীকার করেনি প্রশাসন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শরিফুলের লাশ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছিলো। এদিকে শফিকুল ইসলাম নিহতের ঘটনায় বিএনপি এক জরুরী সাংবাদিক সম্মেলন করেন এবং আগামীকাল আধাবেলা হরতালের ডাক দেন। ওদিকে লোকনাথ স্কুল সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষের সময় পুলিশের দুই ওসি ও কনস্টেবল সহ আরও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মহানগর গোয়েন্দা শাখার ওসি তোফাজ্জেল হোসেন খান, বোয়ালিয়া তানার ওসি শাহরিয়ার, কন্সটেবল মিজানুর রহমান ও কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান। মিছিলকারীদের ছোট ইটের আঘাতে ওসি তোফাজ্জল হোসেনের নাক ফেটে গেছে এবং হাত ভেঙ্গেগেছে ওসি সাহরিয়ারের। পুলিশের দাবী তাদের আরও ২০থেকে ৩০জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানাগেছে, সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কলেজিয়েট স্কুল এলাকা থেকে গণমিছিল বের করার সময় পুলিশের সাথে জামায়াত কর্মীদের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় জামায়াতকর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। পুলিশ বাধা দিতে গেলে তাদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। জামায়াত কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং গুলি ও বোমা বিস্ফোরন করে। এসময় পুলিশ পাল্টা টিয়ার শেল, রাববার বুলেট এক পর্যায়ে গুলি ছুড়ে। এসময় শহিদুলের মাথায় গুলি লাগে। অপরদিকে ভুবন মোহন পার্ক থেকে বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি গন মিছিল নিয়ে জিরোপয়েন্ট হয়ে ভুবনমোহন পার্কে এসে শেষ হয়। এই হামলার ঘটনায় কয়েকটি মামলা হবে বলে জানান পুলিশ প্রশাসন।
Ruby