মোঃ আককাস আলী, নওগাঁ প্রতিনিধি :: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজরিত পতিসর কুঠি বাড়ীকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্বেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাবে এ কুঠিবাড়ীটি শিলাইদহ কিংবা শাহজাদপুর কুঠিবারীর মত আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেনি। বছরে একবার রবীন্দ্র জন্ম-জয়ন্তীতে এ কুঠি বাড়ীটি ধুয়ে মুছে ঝক ঝকে, তক্ তকে করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ৩ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে। এ কর্মসূচীকে ঘিরে কয়েকদিনের জন্য সরগরম হয়ে ওঠে পতিসর। এছাড়া বছরের বাকী সময় অযতœ-অবহেলায় পড়ে থাকে এ ঐতিহাসিক কুঠিবাড়ী।
নওগাঁ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার দক্ষিণে আত্রাই উপজেলার নাগর নদের তীরে রবী ঠাকুরের এ পতিসর কুঠিবাড়ী অবস্থিত। পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত কালিগ্রাম পরগনার জমিদারী দেখাশোনার জন্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম পতিসরে আসেন। জমিদারী দেখা শোনার জন্য এলেও প্রকৃতি ও মানব প্রেমী কবি অবহেলিত পতিসর এলাকার মানুষের জন্য দাতব্য চিকিৎসালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা সহ অনেক জনহৈতিষি কাজ করেন। এখানকার কৃষকের কল্যানে নোবেল পুরস্কারের ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা দিয়ে তিনি এখানে একটি কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। কবির সাহিত্য সৃষ্টির একটি বিশাল অংশ জুরে রয়েছে পতিসর। পতিসরে বসেই কবি- চিত্রা, পূর্ণিমা, সন্ধ্যা, গোরা, ঘরে-বাইরে সহ অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেন। ১৯৩৭ সালের ২৭ জুলাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষবারের মত পতিসরে আসেন। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বুকে নিয়ে আজও দাড়িয়ে আছে পতিসর কুঠিবাড়ী। প্রতœতত্ত্ব বিভাগ ১৯৯০ সালে এ কুঠি বাড়ীটির দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এ কুটিবাড়ীর তেমন উন্নয়ন হয়নি। ২০১১ সালে কুটিবাড়ীর সামনে একটি রবীন্দ্র ভাষ্কার্য নির্মান করা হলেও এ ভাষ্কর্যর সামনেই বসে হাট বাজার। হাট বাজারের ময়লা আবর্জনার কারণে সৌন্দর্য হারাচ্ছে ভাষ্কার্যটি। রবীন্দ্র চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মামুন জানান, পতিসরের রবীন্দ্র ভাষ্কার্যর সামনের ফাাঁকা জায়গায় একটি উদ্যান করা হলে এ কুঠিবাড়ীর সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পাবে। নাগর নদের তীরে রব্ন্দ্রীনাথের তৈরী ঘাটটিও অযন্তে অবহেলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এ কারণে রবীন্দ্র ভক্তরা পতিসরে আসার আগ্রহ হারাচ্ছেন। অপরদিকে এ কুঠিবাড়ীতে যাতায়াতের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও সেখানে থাকা খাওয়ার হোটেল-মোটেল না থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্বেও পর্যটক এবং রবীন্দ্রভক্তরা আসতে চাননা। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে পতিসর কুঠিবাড়ী একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠতে পারে।
নওগাঁ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার দক্ষিণে আত্রাই উপজেলার নাগর নদের তীরে রবী ঠাকুরের এ পতিসর কুঠিবাড়ী অবস্থিত। পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত কালিগ্রাম পরগনার জমিদারী দেখাশোনার জন্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে সর্বপ্রথম পতিসরে আসেন। জমিদারী দেখা শোনার জন্য এলেও প্রকৃতি ও মানব প্রেমী কবি অবহেলিত পতিসর এলাকার মানুষের জন্য দাতব্য চিকিৎসালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা সহ অনেক জনহৈতিষি কাজ করেন। এখানকার কৃষকের কল্যানে নোবেল পুরস্কারের ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকা দিয়ে তিনি এখানে একটি কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। কবির সাহিত্য সৃষ্টির একটি বিশাল অংশ জুরে রয়েছে পতিসর। পতিসরে বসেই কবি- চিত্রা, পূর্ণিমা, সন্ধ্যা, গোরা, ঘরে-বাইরে সহ অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেন। ১৯৩৭ সালের ২৭ জুলাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষবারের মত পতিসরে আসেন। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বুকে নিয়ে আজও দাড়িয়ে আছে পতিসর কুঠিবাড়ী। প্রতœতত্ত্ব বিভাগ ১৯৯০ সালে এ কুঠি বাড়ীটির দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এ কুটিবাড়ীর তেমন উন্নয়ন হয়নি। ২০১১ সালে কুটিবাড়ীর সামনে একটি রবীন্দ্র ভাষ্কার্য নির্মান করা হলেও এ ভাষ্কর্যর সামনেই বসে হাট বাজার। হাট বাজারের ময়লা আবর্জনার কারণে সৌন্দর্য হারাচ্ছে ভাষ্কার্যটি। রবীন্দ্র চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মামুন জানান, পতিসরের রবীন্দ্র ভাষ্কার্যর সামনের ফাাঁকা জায়গায় একটি উদ্যান করা হলে এ কুঠিবাড়ীর সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি পাবে। নাগর নদের তীরে রব্ন্দ্রীনাথের তৈরী ঘাটটিও অযন্তে অবহেলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এ কারণে রবীন্দ্র ভক্তরা পতিসরে আসার আগ্রহ হারাচ্ছেন। অপরদিকে এ কুঠিবাড়ীতে যাতায়াতের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও সেখানে থাকা খাওয়ার হোটেল-মোটেল না থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্বেও পর্যটক এবং রবীন্দ্রভক্তরা আসতে চাননা। রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে পতিসর কুঠিবাড়ী একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠতে পারে।

