বাঘা নিউজ ডটকম, আককাস আলী, নওগাঁ ২ ডিসেম্বর : নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার আবাদি জমি ও ফসলের মাঠ থেকে টপ সয়েল কেটে নেয়া হচ্ছে। এতে কৃষক ধানের অধিক উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকার শতশত একর আবাদযোগ্য ফসলি জমির টপ সয়েল ইটভাটার মালিকেরা স্বল্প দামে কিনে ট্রাকে ভরে নিয়ে যাচ্ছে। এতে করে ফসলি জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে উৎপাদনমুখী ফসলের ওপর। প্রতি বছর জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেয়ায় জমি আপেক্ষাকৃত নিচু হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বর্ষায় জমিগুলোর আবাদের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে মূল উর্বরা শক্তি বাড়তে থাকে। কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে জমিতে বিদ্যমান উর্বরতা শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। যা আবার ফিরিয়ে পেতে অনেক সময় লাগে। টপ সয়েলের নিচের অংশে চাষাবাদ করলেও প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও আবার উর্বর করতে কয়েক বছর সময় লাগে। এ ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ বছর সময় ব্যয় হয়ে থাকে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে ফসলি জমিগুলোর মাটি বিক্রি শুরু হয়। ৬ মাস ধরে এসব মাটি কেটে ট্রাক, ট্টাক্টরে করে উঠিয়ে নেয়ার হিড়িক চলে।
ট্রাক্টর ড্রাইভার বিপ্লব জানান, আমরা টাকার বিনিময়ে ট্রাক্টর ভাড়া চালায় ভাটা মালিক আমাদের যেখানে যেতে বলবে সেখানেই আমাদের যেতে হবে। জেলার ধামইরহাট উপজেলার উত্তর চকরহমত গ্রামের রমজান আলী জানান, কোনো কোনো এলাকার জমি উঁচু তাই অনেকেই মাটি বিক্রি করে দেন। একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন বলেন, টাকার প্রয়োজনে আমি মাটি বিক্রি করে দিচ্ছি। নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্বাস আলী বলেন, মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য দেড় দুই ফুট গভীরে গিয়ে ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে মাটির উর্বরা শক্তি তো থাকবেই না মাটিকে একেবারে ধ্বংস করা হবে। এসব জমি বেশির ভাগ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকে। অথবা চাষাবাদ করার পর অনুর্বর হওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফলানো ফসল ফ্যাকাসে বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি এক দুই বছরে সার দিয়ে কোনো ভাবে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই। যেটুকু মাটি উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে ততটুকু পলি মাটি দিয়ে ভরাট করলে হয়তো ওই জমির উর্বরতা
বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে মূল উর্বরা শক্তি বাড়তে থাকে। কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে জমিতে বিদ্যমান উর্বরতা শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। যা আবার ফিরিয়ে পেতে অনেক সময় লাগে। টপ সয়েলের নিচের অংশে চাষাবাদ করলেও প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও আবার উর্বর করতে কয়েক বছর সময় লাগে। এ ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ বছর সময় ব্যয় হয়ে থাকে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে ফসলি জমিগুলোর মাটি বিক্রি শুরু হয়। ৬ মাস ধরে এসব মাটি কেটে ট্রাক, ট্টাক্টরে করে উঠিয়ে নেয়ার হিড়িক চলে।
ট্রাক্টর ড্রাইভার বিপ্লব জানান, আমরা টাকার বিনিময়ে ট্রাক্টর ভাড়া চালায় ভাটা মালিক আমাদের যেখানে যেতে বলবে সেখানেই আমাদের যেতে হবে। জেলার ধামইরহাট উপজেলার উত্তর চকরহমত গ্রামের রমজান আলী জানান, কোনো কোনো এলাকার জমি উঁচু তাই অনেকেই মাটি বিক্রি করে দেন। একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন বলেন, টাকার প্রয়োজনে আমি মাটি বিক্রি করে দিচ্ছি। নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্বাস আলী বলেন, মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য দেড় দুই ফুট গভীরে গিয়ে ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে মাটির উর্বরা শক্তি তো থাকবেই না মাটিকে একেবারে ধ্বংস করা হবে। এসব জমি বেশির ভাগ পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকে। অথবা চাষাবাদ করার পর অনুর্বর হওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফলানো ফসল ফ্যাকাসে বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি এক দুই বছরে সার দিয়ে কোনো ভাবে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই। যেটুকু মাটি উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে ততটুকু পলি মাটি দিয়ে ভরাট করলে হয়তো ওই জমির উর্বরতা
