আল মাহামুদুল হাসান বাপ্পী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :: ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি উৎপাদনের প্রধান উপকরণ সার, তেল, কীটনাশকের দাম বাড়ছে প্রতিনিয়তই। কিন্তু কৃষকের কৃষিপণ্যের দাম বাড়ছে না। ফলে কৃষকরা লোকসান গুনছে। দু'ফায় ইউরিয়া সার ও তিন দফায় ডিজেলের দাম বাড়লেও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে বিগত বছরে কৃষকরা ঋণের টাকা দিতে না পেরে লাঞ্জিত হবার ভয় করছে। ভিটেমাটি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অনেকেই। এ জেলার লোক কৃষির ওপর নির্ভরশীল। প্রতি বছরের ন্যায় কৃষকরা এবারও বুকভরা আশা নিয়ে কৃষি কাজে নামে পড়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকার উঁচু জমিতে ধানপাটের ফলন ভাল হলেও নিচু এলাকার ফসল ধান, পাট বর্ষণের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। যাও পেয়েছে তারও আবার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। সদর উপজেলা দেহন গ্রামের কৃষক তোফায়েল হোসেন জানান, চার যুগ ধরে তিনি কৃষিকাজ করে আসছেন। কিন্তু এ বছরের ন্যায় এত লোকসানের মুখ কখনও তিনি দেখেননি। ধান, পাট, আলুসহ সবজি চাষ করে এ বছরে কোন অর্থ যোগাতে পারেননি। লোকসানের পরিমাণ এত বেশি হয়েছে, মহাজনের ঋণের টাকা যোগাতে তার গরু বিক্রি ছাড়া উপায় নেই। তিনি জানান, প্রতিদিন ধান, পাট, আলু, সবজির দাম কমছে। অন্যদিকে বাড়ছে সার, কীটনাশক, ডিজেলসহ কৃষি উপকরণের দাম। গত বোরো মওসুমে ধান বিক্রি করেছেন ৯শ' টাকা মণ দরে। এখন আমন ধানের মণ ৫শ' টাকা থেকে ৬শ' টাকা মণ। গত বছর পাট বিক্রি করেছেন ২২শ' টাকা থেকে ২৫শ' টাকা মণ। বর্তমান বাজারে পাট ৯শ' টাকা থেকে ১ হাজার টাকা মণ। চিলারং গ্রামের কৃষক গফুর আলী জানান, ১ মণ পাটের উৎপাদন খরচ হয় কমপক্ষে ১৫শ' টাকা। অথচ ১ মণ পাট বিক্রি করতে হচ্ছে ৯শ' টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। এছাড়া ১ মণ ধানে উৎপাদন খরচ হয় ৭শ' টাকা থেকে ৮শ' টাকা। কৃষকের সব ফসলের দাম কম। অথচ গত তিন দফায় ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি ও ইউরিয়া সার ৩শ' টাকা থেকে ৬শ' টাকা এবং ৬শ' টাকা থেকে ১হাজার টাকা দাম বৃদ্ধিতে ক্যাশ টাকা ফুরিয়ে ঋণের জালে আটকা পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
গত বছর প্রতি শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চাষ করতে শ্যালো মেশিন ভাড়া দেয়া লাগত ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা। এবার ডিজেলের মূল্য তিন দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্যালোর মালিকরা প্রতি শতাংশ বোরো চাষ করতে শ্যালোর মালিকরা ১শ' টাকা ভাড়া চাচ্ছে বলে কৃষকরা জানান।
ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকার উঁচু জমিতে ধানপাটের ফলন ভাল হলেও নিচু এলাকার ফসল ধান, পাট বর্ষণের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। যাও পেয়েছে তারও আবার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। সদর উপজেলা দেহন গ্রামের কৃষক তোফায়েল হোসেন জানান, চার যুগ ধরে তিনি কৃষিকাজ করে আসছেন। কিন্তু এ বছরের ন্যায় এত লোকসানের মুখ কখনও তিনি দেখেননি। ধান, পাট, আলুসহ সবজি চাষ করে এ বছরে কোন অর্থ যোগাতে পারেননি। লোকসানের পরিমাণ এত বেশি হয়েছে, মহাজনের ঋণের টাকা যোগাতে তার গরু বিক্রি ছাড়া উপায় নেই। তিনি জানান, প্রতিদিন ধান, পাট, আলু, সবজির দাম কমছে। অন্যদিকে বাড়ছে সার, কীটনাশক, ডিজেলসহ কৃষি উপকরণের দাম। গত বোরো মওসুমে ধান বিক্রি করেছেন ৯শ' টাকা মণ দরে। এখন আমন ধানের মণ ৫শ' টাকা থেকে ৬শ' টাকা মণ। গত বছর পাট বিক্রি করেছেন ২২শ' টাকা থেকে ২৫শ' টাকা মণ। বর্তমান বাজারে পাট ৯শ' টাকা থেকে ১ হাজার টাকা মণ। চিলারং গ্রামের কৃষক গফুর আলী জানান, ১ মণ পাটের উৎপাদন খরচ হয় কমপক্ষে ১৫শ' টাকা। অথচ ১ মণ পাট বিক্রি করতে হচ্ছে ৯শ' টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। এছাড়া ১ মণ ধানে উৎপাদন খরচ হয় ৭শ' টাকা থেকে ৮শ' টাকা। কৃষকের সব ফসলের দাম কম। অথচ গত তিন দফায় ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি ও ইউরিয়া সার ৩শ' টাকা থেকে ৬শ' টাকা এবং ৬শ' টাকা থেকে ১হাজার টাকা দাম বৃদ্ধিতে ক্যাশ টাকা ফুরিয়ে ঋণের জালে আটকা পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
গত বছর প্রতি শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চাষ করতে শ্যালো মেশিন ভাড়া দেয়া লাগত ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা। এবার ডিজেলের মূল্য তিন দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্যালোর মালিকরা প্রতি শতাংশ বোরো চাষ করতে শ্যালোর মালিকরা ১শ' টাকা ভাড়া চাচ্ছে বলে কৃষকরা জানান।

