শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১১

কুষ্টিয়ার মাঠ এখন সরিষা ফুলে ভরা

কুষ্টিয়ার মাঠ এখন সরিষা ফুলে ভরা
বাঘা নিউজ ডটকম, রাসেল আহমেদ, দৌলতপুর (কুষ্টিয়া ) ২ ডিসেম্বর : এ বছর সরিষার বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আর এ কারনে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর, মিরপুর, কুমারখালী, ভেড়ামারা সহ ৬ টি উপজেলার এলাকা ড়ুড়ে সরিষার ক্ষেতে হলুদ ফুলে একাকার হয়ে গেছে। কৃষকরা আশা করছেন এবার বাম্পার ফলনের। প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে বলে কৃষি অফিস সূত্র জানাযায় । আরও জানা যায় জেলার গ্রামাঞ্চলের চাষীরা সরিষার বারি-১৫ ও টরি-৭ বীজ ব্যবহারে আগ্রহী বেশি। এ বছর জেলার প্রতিটি গ্রামাঞ্চলের মাঠে ইতিমধ্যে আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর সরিষা আবাদে তেমন কোনো পোকার আক্রমণ না থাকায় কৃষকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন। তুলনামূলক এ বছর সরিষার আবাদ অনেক ভালো হয়েছে। তাছাড়া সময় মত সার-কিটনাসক ব্যাবহারের কারনে সরিষার আবাদ করতে কৃষকের কোনো প্রকার বেগ পেতে হচ্ছে না। পোকার আক্রমণ থেকে সরিষা রক্ষা করতে জেলা কৃষি অফিস থেকে আগেই বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে ছিল বলে কৃষকরা জানান। এ বছর সরিষার মৌসুমে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে কৃষকের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বলে জানা গেছে খলিসাকুন্ডি গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান জানান, এবার সে ২ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছেন। তিনি সরিষার বাম্পার ফলন আশা করছেন। তিনি বলেন, এ বছর সরিষা চাষে তেমন কষ্ট হচ্ছে না। তুলনামূলকভাবে খরচ কম হচ্ছে। বিশেষ করে এখন পর্যমত্ম কোনো পোকার আক্রমণ দেখা দেয়নি। সব কিছু ঠিক থাকলে এবার প্রতি বিঘা জমিতে ৪-৬ মণ হারে, এমনকি তারও বেশি সরিষা ঘরে তুলতে পারবেন বলে তিনি জানান। দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের কৃষক মহিউদ্দিন জানান, প্রতি বছরই সরিষার ক্ষেতে পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। কিমত্ম এ বছর এখন পর্যমত্ম পোকার আক্রমণ দেখা দেয়নি। যদি পোকা না লাগে তাহলে এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ৬-৭ মণ হারে সরিষা ঘরে তুলতে পারবো। প্রতি বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করতে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা খরচ হচ্ছে। জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, এ বছর কৃষককে সরিষা চাষে সচেতন করা হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষা চাষ হবে বলে তাদের ধারনা। তাছাড়া কর্মকর্তারা সব সময় মাঠে থেকে কৃষককে সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছেন। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলেও ন্যায্য মুল্য পাচ্ছে না কৃষক
Ruby